মো : রাকিব হোসেন, চন্দ্রগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধিঃ
লক্ষ্মীপুর জেলার অন্তর্গত চন্দ্রগঞ্জ থানার ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসা নূরে মদিনা হতে মোঃ
শফিকুল ইসলাম (১৩) মাত্র ০৬ মাস ০২ দিনে পবিত্র ধর্মগন্থ আল- কুরআন পূর্ণাঙ্গ মুখস্থ করে এলাকায় অভাবনীয় আড়োলন সৃষ্টি করেছে। শফিকের অসাধারণ কৃতিত্বে তার বাবা – মা, শিক্ষক ও এলাকার বিভিন্ন পেশা শ্রেণির লোকজন অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তার বাবা – মা ও শিক্ষকদের তাকে নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্য করে।
হাফেজ মোঃ শফিকুল ইসলাম সম্পর্কে জানতে চাইলে তার পিতা মোঃ নূর আলম জানান আমার স্বপ্ন ছিল ছেলেকে একজন কুরআনে হাফেজ ও বড় আলেম বানানো। আল্লাহর কাছে লাখো শুকরিয়া আল্লাহ তা’আলা আমার ছেলেকে সফল করেছেন। আমি আমার ছেলেকে নিয়ে গর্বিত। সবাই দোয়া করবেন আমার ছেলে যেন বড় আলেম হয়ে সমাজ ও দেশের সেবা করতে পারে। হাফেজ মোঃ শফিকুল ইসলাম এর হেফজ শাখার সংশ্লিষ্ট ওস্তাদ হাফেজ মাওলানা মোঃ মিনার জানান, শফিক আমার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি কাজ করতো। সে খুব মনোযোগী ছাত্র। সে প্রতি দিন ভোর ৩ টায় ঘুম থেকে উঠে কুরআন তোলাওয়াত আরম্ভ করতো। সে দৈনিক ৪-৬ পাতা কুরআন মুখস্ত করত। এমনকি কোনো কোনো দিন সে ১২ পাতাও মুখস্ত করে ফেলত। সে অত্যন্ত মেধাবী ও ভদ্র ছেলে। সে শিক্ষকদের অত্যন্ত সম্মান করে। আমার বিশ্বাস সে একদিন বড় আলেম হবে।
শফিকুল সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ফয়জুল্যাহ্, আমাদের জানান শফিকুল আমাদের সবার অনুগত ও বাধ্যগত ছাত্র। সে আমাদের মাদ্রাসা, সমাজ ও দেশের জন্য আল্লাহর রহমত ও আশীর্বাদ স্বরুপ। আমি চাই, যেন অর্থের অভাবে তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নষ্ট না হয়, দেশ বঞ্চিত না হয় তার মত মেধাবীর সেবা হতে। আমাদের মাদ্রাসার প্রতি সমাজ ও দেশের কল্যাণকামী লোকদের সুদৃষ্টি থাকলে আমারা এমন আরো অনেক শফিকুলকে তৈরি করতে পারবো বলে আশাবাদী।
হাফেজ মোঃ শফিকুলের সাথে কথা বললে, সে জানায়, আলহামদুলিল্লাহ, আমি আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ উনি আমাকে উনার প্রেরিত সর্বশেষ পবিত্র ধর্মগন্থ আল কুরআন পূর্ণাঙ্গ মুখস্ত করার তাওফিক দিয়েছেন। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন দেশ ও সমাজের সেবা করতে পারি।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১৭ নভেম্বর ২০১৮/ইকবাল